সমীক্ষাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বললেন মমতা, ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ২৬ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও কানাডার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের একটি বিতর্কিত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে তিনি কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক আরও ১০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। বিজ্ঞাপনটিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের একটি ভাষণ ব্যবহার করা হয়, যেখানে তিনি শুল্ককে বিরোধিতা করেছেন। ট্রাম্প এই বিজ্ঞাপনকে ‘প্রতারণামূলক’ ও ‘শত্রুতামূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “তাদের তথ্য বিকৃতির কারণে এবং শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য, আমি কানাডার ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়াচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “এই বিজ্ঞাপনটি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সামনে চলমান একটি মামলার ওপর প্রভাব ফেলতে চেয়েছিল।”
অন্টারিও প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডগ ফোর্ড জানিয়েছেন, আগামী সোমবার থেকে এই বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করা হবে। তবে, ট্রাম্পের ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডার সঙ্গে সকল বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন যে, এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে দুই দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, “আমরা বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব, তবে আমাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়ও আমরা দৃঢ় অবস্থানে থাকব।”
এই বাণিজ্য সংঘাতের ফলে কানাডার জনগণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিরূপ মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক কানাডীয় নাগরিক আমেরিকান পণ্য বর্জন করে নিজেদের দেশীয় পণ্য গ্রহণের দিকে ঝুঁকছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন যে, এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে দুই দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা পরামর্শ দিয়েছেন, উভয় দেশের সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির ওপর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশও এই সংঘাতের দিকে নজর রাখছে, কারণ এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের শাসনামলে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। এই নতুন শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এখন দেখার বিষয়, উভয় দেশের সরকার এই সংকট সমাধানে কী পদক্ষেপ নেয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিতে এর কী প্রভাব পড়ে।
সূত্র: রয়টার্স।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au