সমীক্ষাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বললেন মমতা, ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ২৬ অক্টোবর- রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলস্টেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, ম্যাগাজিন, গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এই ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টার মধ্যে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ডগ স্কোয়াডসহ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনীর একটি দল, গোয়েন্দা সংস্থা এবং রেলওয়ে পুলিশ অংশ নেয়। এ সময় বনলতা এক্সপ্রেসের একটি বগিতে রাখা ট্রলি ব্যাগ থেকে এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা জেলা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, “সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ট্রেনে অভিযান চালায়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের সঠিক সংখ্যা ও বিবরণ সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।”
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, উদ্ধার হওয়া ট্রলি ব্যাগে ছিল ৮টি বিদেশি পিস্তল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড গুলি, ২ দশমিক ৩৯ কেজি গান পাউডার, ২ দশমিক ২৩ কেজি প্লাস্টিক বিস্ফোরক।
রেলওয়ে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ব্যাগের মালিক শনাক্ত করা না গেলেও ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বনলতা এক্সপ্রেস একটি বিরতিহীন আধুনিক ট্রেন, যা শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন ঢাকার কমলাপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে এবং রাজশাহী থেকে ঢাকায় যাতায়াত করে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে রেলস্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার পেছনে কোনো সংগঠিত চক্রের সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বহনকারী ব্যক্তি বা গ্রুপকে শনাক্ত করতে ট্রেনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রেনে থাকা যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
এই ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে রেলপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়, তবে অস্ত্রগুলোর উৎস এবং গন্তব্য নির্ধারণে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চলছে।
সুত্রঃ আজকের পত্রিকা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au