সমীক্ষাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বললেন মমতা, ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ৩০ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী কর্মীদের কাজের অনুমতিপত্র বা ইএডি (Employment Authorization Document) আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন করা হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে।
বুধবার ঘোষিত এই সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ৩০ অক্টোবর বা তার পর যারা ইএডি নবায়নের জন্য আবেদন করবেন, তারা আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেয়াদ বাড়ার সুবিধা পাবেন না। তবে ৩০ অক্টোবরের আগে যাদের ওয়ার্ক পারমিট নিজে থেকেই নবায়ন হয়েছে, তাদের জন্য আগের মেয়াদই বহাল থাকবে।
ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, এই নতুন পদক্ষেপের লক্ষ্য হচ্ছে “জনগণের নিরাপত্তা ও দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা।” এই নিয়ম কার্যকর হওয়ায় হাজার হাজার বিদেশি কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাইডেন প্রশাসনের সময়ে প্রচলিত পুরোনো নিয়মে বলা ছিল, যাদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তারা যদি সময়মতো নবায়নের আবেদন করেন এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করেন, তবে ৫৪০ দিন পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। নতুন নিয়মে সেই সুবিধা থাকছে না।
মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (USCIS) জানিয়েছে, ভবিষ্যতে অভিবাসী কর্মীদের পটভূমি আরও ঘন ঘন পরীক্ষা করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতারণা রোধ এবং দেশবিরোধী উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে দাবি করছে সংস্থাটি।
ইউএসসিআইএস পরিচালক জোসেফ এডলো বলেছেন, “এটি সাধারণ জ্ঞান থেকে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত। যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার অনুমতি কোনো অধিকার নয়, এটি একটি বিশেষ সুযোগ।”
তিনি অভিবাসী কর্মীদের পরামর্শ দিয়েছেন, তাদের ইএডির মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ১৮০ দিন আগে নবায়নের আবেদন করতে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, আবেদন যত দেরিতে জমা দেওয়া হবে, তত বেশি ঝুঁকি থাকবে কাজের বৈধতা হারানোর এবং সাময়িকভাবে কর্মহীন হয়ে পড়ার।
ইএডি কী এবং কারা এটি পান
ইএডি বা ফর্ম আই-৭৬৬ হলো যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ করার বৈধ প্রমাণপত্র। এটি সাধারণত আশ্রয়প্রার্থী, অভিবাসী বা বিশেষ অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের বা গ্রিন কার্ডধারীদের ইএডি লাগে না।
এইচ-১বি বা এল-১বি’র মতো বিশেষ কর্মভিসাধারীরাও সাধারণত ইএডি ছাড়াই কাজ করতে পারেন।
এইচ-১বি ভিসা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ
গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন এইচ-১বি ভিসার বার্ষিক ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করেছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এতে কেবল “খুবই দক্ষ” কর্মীরাই যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে স্থানীয় নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
নতুন এই পদক্ষেপগুলোর ফলে অভিবাসী ও বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au