সমীক্ষাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বললেন মমতা, ভোটের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ৪ নভেম্বর- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ বাতিল করেছে সরকার। নতুনভাবে সংশোধিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এ এই দুই বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিধান আর রাখা হয়নি।
গতকাল (রোববার) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গেজেট আকারে সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই আগের ঘোষণায় পরিবর্তন আনা হলো।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত মূল বিধিমালায় চার ধরনের শিক্ষকের পদ রাখার কথা বলা হয়েছিল-
১. প্রধান শিক্ষক
২. সহকারী শিক্ষক
৩. সহকারী শিক্ষক (সংগীত)
৪. সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা)
কিন্তু নতুন সংশোধিত বিধিমালায় কেবল প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক-এই দুই পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, আগস্টে প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সংগীত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে আপত্তি জানায়। তাঁরা বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও বিক্ষোভ সমাবেশে দাবি তোলেন যে, সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এমনকি আন্দোলনেরও হুমকি দেন তাঁরা।
চাপের মুখে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে এবং অবশেষে সংশোধিত বিধিমালায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের পদ বাদ দেওয়া হয়।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাঁদের মতে, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা এখন উপেক্ষিত হলো।
অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান প্রয়োজন ও বাস্তবতার আলোকে বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে, এবং ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার সুযোগও থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au