রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ৫ নভেম্বর- গত দুই বছরে হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক ব্যয় অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই বিপুল ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে উন্নত অস্ত্র ক্রয়, সেনা মোতায়েন, ট্যাঙ্ক ও বিমান অভিযান, এবং গাজার ওপর ধারাবাহিক সামরিক হামলার খরচ। শুধু ২০২৪ সালেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের মোট বাজেটের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই যুদ্ধ ইসরায়েলের অর্থনীতিকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। পর্যটন ও রপ্তানি খাত ধসে পড়েছে, বিনিয়োগ কমেছে, এবং বেকারত্বের হার বেড়ে ৯ শতাংশে পৌঁছেছে-যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এতে রাষ্ট্রীয় ঋণ ও বাজেট ঘাটতিও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, যুদ্ধ শুধু অর্থনীতিকেই নয়, দেশের নিরাপত্তাকেও ঝুঁকিতে ফেলছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, “ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য যত ব্যয়ই হোক না কেন, তা ন্যায্য।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আশঙ্কা করছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এই ব্যয় আরও ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
আন্তর্জাতিক মহল থেকে ইসরায়েল সামরিক সহায়তা পেলেও, অর্থনৈতিক চাপ এখন দেশটির ভেতরে ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এত বিপুল ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতির পরও গাজার পরিস্থিতি স্থবির, যা ইসরায়েলের জন্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au