মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ১৫ নভেম্বর- পাকিস্তানে বহুল আলোচিত সাংবিধানিক সংশোধনী পাস হয়েছে, যার ফলে দেশটির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সেনাপ্রধানরা আজীবন গ্রেপ্তার ও বিচার থেকে দায়মুক্তি পাবেন। জাতীয় পরিষদে বিলটি তুলনামূলক কম আলোচনার মধ্যেই পাস হয়, যা দেশটিতে সামরিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বিল অনুযায়ী, দায়িত্বে থাকা বা অবসরপ্রাপ্ত কোনো সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার বা বিচারিক প্রক্রিয়া শুরির আগে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে। এই ধারাটি সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য স্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
সরকার দাবি করেছে, সামরিক নেতৃত্বের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধন প্রয়োজন ছিল। এ অবস্থানকে শক্তিশালী করার জন্য তারা সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সীমান্তে বাড়তি চাপের বিষয়টি উল্লেখ করেছে।
তবে বিরোধী দল এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিলটির তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, সংশোধনটি সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের জবাবদিহি আরও কমিয়ে দেবে এবং বিচারব্যবস্থার ক্ষমতা সীমিত করবে। সংসদে বিরোধীদের অনেক সদস্য ভোট ছাড়াই বিল পাস হওয়াকে ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংশোধনটি ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতার ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরেই সেনাবাহিনীর প্রভাব নিয়ে বিতর্কিত, আর নতুন এই সংশোধন সেই আলোচনাকে আরও তীব্র করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au