চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৭ নভেম্বর- হংকংয়ের তাই পো এলাকায় লাগা ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ জন। নিখোঁজ রয়েছেন ২৭৯ জন। আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটি হংকংয়ের সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ড।
বুধবার দুপুরে ৩২ তলা একটি ভবনের বাইরের বাঁশের মাচায় আগুন ধরে যায়। ভবনটিতে সংস্কারের কাজ চলছিল। আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পাশের সাতটি উঁচু ভবনেও আগুন লেগে যায়। বাতাসের গতি আর নির্মাণের জালের কারণে আগুন ছড়ানোর গতি আরও বেড়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
বেশিরভাগ বাসিন্দা বয়সে প্রবীণ। অনেকে হিমশিম খেতে খেতে ভবন থেকে নেমে আসেন। কেউ আহত হন, কেউ আবার রাস্তায় বের হয়ে আশ্রয় নেন। প্রায় ৯০০ মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৪০টির বেশি ফায়ার ট্রাক আর ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স কাজ করে।
দমকল কর্মকর্তারা জানান, ভবনের ভেতরের তাপমাত্রা এত বেশি ছিল যে গভীরে গিয়ে উদ্ধারকাজ করতে খুব সমস্যা হচ্ছিল। আগুন ছড়ানোর সময় মাচা আর নির্মাণসামগ্রীর অনেক অংশ নিচে ভেঙে পড়ে।
হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বলেছেন, আগুনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত দল কাজ করছে। মধ্যরাতের পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। হাসপাতালে এখনও অন্তত ২৯ জন চিকিৎসাধীন, তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিহত দমকলকর্মীর পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সব মৃতের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন।
যে আবাসিক কমপ্লেক্সে আগুন লেগেছে সেটি ১৯৮০-এর দশকে নির্মিত আটটি ভবন নিয়ে গঠিত। সংস্কারের সময় বাইরের মাচায় আগুন ধরে যাওয়ায় তা দ্রুত ভবনের ওপর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনগুলোর ঘনবদ্ধ অবস্থান আর বাতাস আগুনকে আরও ছড়িয়ে দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হংকংয়ের গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ১৯৯৬ সালে একই মাত্রার আরেকটি আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au