অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যু, নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ শামস সুমন আর নেই। বিশিষ্ট এই অভিনেতা ও রেডিও ভূমি-র স্টেশন চিফের মৃত্যুতে (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)…
মেলবোর্ন, ২১ ডিসেম্বর- সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটে হামলা এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রতিবাদে নেমেছে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে সংগঠনটির উদ্যোগে রাজধানীতে প্রতিবাদী মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা নানা স্লোগানে সাম্প্রতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছায়ানটের সামনে অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে তারা গান গেয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় উদীচীর কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের খবর আসে। তারা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো কাপুরুষতার পরিচয় এবং এসবের পেছনে উগ্র ডানপন্থী শক্তি সক্রিয় রয়েছে।
বক্তারা বলেন, এই শক্তিগুলো বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে। উৎসব, সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে তারা জনজীবনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে এবং একটি উশৃঙ্খল ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
সমাবেশে বর্তমান সরকারের ভূমিকাও কঠোর ভাষায় সমালোচিত হয়। বক্তাদের অভিযোগ, সরকার এসব উগ্র ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিচ্ছে। তারা বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার জায়গা সংকুচিত করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে নির্দেশনার ভিত্তিতে। সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা থেকে দেশকে সরিয়ে নেওয়ার একটি সুস্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই প্রতিক্রিয়াশীল ও উগ্রবাদী শক্তিকে জনতার ঐক্য ও শক্তির মাধ্যমেই প্রতিহত করতে হবে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘোষিত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। বাংলাদেশের মানুষ আর এই সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণ একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান শাসনের অবসান ঘটাতে চায়। সেই আন্দোলনে সব গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচির শেষে জানানো হয়, সব সংগঠন একত্রে বসে পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তা ঘোষণা করা হবে। মশাল মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au