সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…
ঢাকা ২৯ ডিসেম্বর: বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ প্রজন্মের পর প্রজন্ম নারীকে দিয়েছে শিক্ষা, সাহস, আত্মবিশ্বাস ও স্বপ্ন দেখার শক্তি।
২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ছিল কলেজটির ৬৭ বছরের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। এই দিনেই প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় প্রথম পুনর্মিলনী ২০২৫। দেশের নানা প্রান্ত এবং বিদেশ থেকেও প্রাক্তন ছাত্রীরা ফিরে আসেন তাঁদের শিকড়ে, তাঁদের প্রিয় ক্যাম্পাসে। পুরোনো বন্ধুত্ব, হারানো হাসি আর স্মৃতির আবেশে আবার প্রাণ ফিরে পায় কলেজ প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে সেই সিমেন্ট বাঁধানো বকুলতলা, যেখানে একসময় বকুলফুল কুড়িয়ে কত না সময় কেটেছে ছাত্রীদের।
এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সহযোগী অধ্যাপক রুমানা ইসলাম লুনা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ হালদার।
পুনর্মিলনী আয়োজনের পুরো দায়িত্ব ছিল প্রাক্তন ছাত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটির ওপর। নিষ্ঠা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে তারা দিনটিকে সফল করে তুলেছেন। যখন অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিল মেয়েরা পারবে তো এমন বড় আয়োজন করতে, তখনও এই কলেজের মেয়েরা সব সংশয়, চাপ ও বাধাকে শক্তিতে রূপ দিয়েছেন। ভুল ঠিক করে, রাত জেগে পরিকল্পনা করে এবং একে অপরের পাশে থেকে তারা এগিয়ে গেছেন।
অনুষ্ঠানের সফলতা প্রমাণ করে নারীরা শুধু ঐতিহ্যের ধারক নয়, তারা ইতিহাসের নির্মাতাও। অনুষ্ঠানের বার্তা একটাই, নিজের শিকড় আঁকড়ে ধরলে নারীর স্বপ্নও বিশ্বমঞ্চে উড়তে পারে।
মাধবী চক্রবর্তী
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও রাইটার।
প্রাক্তন ছাত্রী বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au