চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৫ জানুয়ারি- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-১ আসনে জমা দেওয়া সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে একটি ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন মোট ১৫ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাই শেষে আটজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত এবং সাতজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফলে এই আসনে কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়নি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী শাহ মো. আবু জাফর, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মৃন্ময় কান্তি দাস, জাতীয় পার্টির সুলতান আহমেদ খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মুহাম্মদ খালেদ বিন নাছের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ শরাফাত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বাসার খান।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী শাহ মো. আবু জাফরের ক্ষেত্রে দুটি মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ না থাকায় তার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়। বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের তিনটি মামলার তথ্য জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লার ক্ষেত্রে আয় বিবরণীতে অসংগতি থাকায় তার প্রার্থিতা স্থগিত রাখা হয়। অন্যান্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রেও বিভিন্ন ধরনের তথ্যগত ত্রুটি ও কাগজপত্রের ঘাটতি পাওয়া গেছে।
স্থগিত হওয়া প্রার্থীরা রোববার বিকেল চারটার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে এবং তথ্য সংশোধনের মাধ্যমে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ করার সুযোগ পাবেন।
অন্যদিকে, সাতজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। ভোটার তালিকার তথ্য সঠিক না থাকা এবং প্রয়োজনীয় সমর্থন সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শামসুদ্দিন মিয়া, মো. হাসিবুর রহমান, আরিফুর রহমান, মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, লায়লা আরজুমান বানু, মো. গোলাম কবীর মিয়া এবং আবদুর রহমান।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, ফরিদপুর-১ আসনে জমা দেওয়া ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাইয়ের সময় ছোটখাটো ত্রুটি পাওয়ায় আটজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তাঁরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি।
এই যাচাই-বাছাই শেষে ফরিদপুর-১ আসনে আপাতত কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ না থাকায় নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au