মুসলিমদের নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্য, প্রত্যাখ্যান ভারতের
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- ভারতে মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের অভিযোগ তুলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির দেওয়া বক্তব্য ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জারদারির…
মেলবোর্ন, ৭ জানুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা অস্থায়ীভাবে প্রবেশের ক্ষেত্রে নতুন করে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে সম্প্রসারিত ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় এবার বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট কিছু ভিসা আবেদনকারীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা ভিসা বন্ড দিতে হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে জানানো হয়, ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশের নাম যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার অফিসার চাইলে তার ক্ষেত্রে ভিসা বন্ডের শর্ত আরোপ করতে পারবেন। আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ইন্টারভিউয়ের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বন্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। এই বন্ডের তিনটি স্তর রয়েছে— ৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার।
বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩১ পয়সা ধরে হিসাব করলে সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ভিসার শর্ত যথাযথভাবে পালন করা হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে এই জামানত ফেরত পাওয়ার কথা রয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভিসা বন্ড মূলত একটি আর্থিক নিশ্চয়তা ব্যবস্থা। এর লক্ষ্য হলো ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, বিশেষ করে অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান বা ‘ওভারস্টে’ ঠেকানো। প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র পর্যটন, শিক্ষা ও অস্থায়ী কাজের জন্য বিপুল সংখ্যক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে।
বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ ভিসার সময় ভ্রমণকারীর আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ চাইলেও ফেরতযোগ্য জামানত নেওয়ার ব্যবস্থা খুব বেশি প্রচলিত নয়। অতীতে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য কিছু দেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নিলেও পরে তা বাতিল করে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, শিক্ষা বা স্বল্পমেয়াদি কাজে যেতে আগ্রহীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া আরও ব্যয়বহুল ও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au