চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৯ জানুয়ারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের মানসিক চিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সোমবার দুপুর ১টার দিকে ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন শেষে উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘আম্মারের ঠিকানা; পাবনা, পাবনা’ স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতপন্থি একজন শিক্ষক উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার পুত্র হিসেবে পরিচিত সালাহউদ্দিন আম্মার জিএস পদে নির্বাচিত হওয়ায় তারা বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক মনে করেন। তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল প্যারিস রোডে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে টানানো একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন সালাহউদ্দিন আম্মার।
সুলতান আহমেদ রাহী আরও বলেন, এখনো পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে তারা ধৈর্য ধরে আছেন। তবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সালাহউদ্দিন আম্মারের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে তারা ধরে নেবেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল, রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ নেছার উদ্দিনসহ শাখা, হল ও অনুষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ব্যানার টানানো হয়েছিল। ওই ব্যানারটি গত রোববার ছিঁড়ে ফেলেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
এর আগেও সালাহউদ্দিন আম্মারকে ঘিরে একাধিক বিতর্কিত ঘটনা ঘটে। গত সেপ্টেম্বরে পোষ্য কোটা বহালের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তার সঙ্গে তার হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। গত ১৭ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষ হওয়া আওয়ামী লীগপন্থি ডিনদের পদত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দেন তিনি। ওই সময় ডিনদের চেয়ার দখলে রাখার বিষয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন এবং ‘বাকিটা বুঝিয়ে দেব’ বলে হুঁশিয়ারিও দেন।
পরে তিনি ডিনদের পদত্যাগপত্র সংগ্রহ করে সবাইকে কল দেন এবং প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামীপন্থি ছয় ডিন রুটিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন। এছাড়া ১৯ ডিসেম্বর তিনি হুঁশিয়ারি দেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা চাকরি করলে তাদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখা হবে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au