ভূমধ্যসাগরে সাগরে ডুবে সুনামগঞ্জের চারজনের মৃত্যু
মেলবোর্ন, ২৯ মার্চ- অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে রাবারের নৌকা ডুবে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সময়…
মেলবোর্ন, ২৭ জানুয়ারি- ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যিনি প্রায় ২৪ ঘণ্টা সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিলেন।
মাল্টার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মাল্টায় নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করেছিল। পথিমধ্যে নৌকাটি ডুবে গেলে সাগরে ভেসে থাকার সময় একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাকে উদ্ধার করে। তার ধারণা, নৌকায় থাকা বাকি প্রায় ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী সবাই প্রাণ হারিয়েছেন।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয় বা তিনি কোন দেশের নাগরিক, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। একইভাবে নৌকাটিতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের জাতীয়তা সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সাধারণত এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ইউরোপে পৌঁছানোর আশায় ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।
উত্তর আফ্রিকার উপকূল থেকে এমন বিপজ্জনক যাত্রা নতুন নয়। গত এক দশকে ভূমধ্যসাগর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী পথ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বেসরকারি সংস্থা ‘মিসিং মাইগ্রেন্টস’ ২০১৪ সাল থেকে এই যাত্রাপথ পর্যবেক্ষণ করে আসছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৩ হাজার ৩২৬ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এই সাগরে ২৬ জন নিহত বা নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আর গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় মোট এক হাজার ৮৭৩ জন নিহত বা নিখোঁজ হন। এই পরিসংখ্যান মানবিক সংকটের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au