নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতায় পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ২৪
মেলবোর্ন, ২১ জুন- পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে। কয়েক…
মেলবোর্ন,৩ ফেব্রুয়ারি- জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে নারীর প্রতি অবমাননাকর ও অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি নতুন করে পরাক্রমশালী হয়ে নারীর দীর্ঘদিনের অর্জন মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, অথচ এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম। মানববন্ধনে তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বাড়ছে। নির্বাচনী আচরণবিধি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো প্রচারকাজে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে সহিংসতা ব্যবহার করছে। নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নেতৃত্বের প্রশ্নে নারী-পুরুষের বিভাজন, পোশাক বা চলাফেরা নয়, বরং নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাই মুখ্য হওয়া উচিত। নারীর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা, বাল্যবিবাহ বন্ধ এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সেটিই জনগণ দেখতে চায়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে নারীর প্রতি অবমাননাকর, অসম্মানজনক ও অসাংবিধানিক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। ৭১–বিরোধী শক্তি নারীর অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়। তারা নারীকে কেবল গৃহবন্দী করতেই নয়, নারীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নকেও ধ্বংস করতে চায়। তিনি নারীবিদ্বেষী গোষ্ঠীর সব ধরনের অপকৌশলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি ও নেটওয়ার্কিং পরিচালক জনা গোস্বামীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম ও মাসুদা রেহানা, লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেহানা ইউনূসসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
মানববন্ধন শেষে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে পল্টন মোড় পর্যন্ত একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নারীর প্রতি অশালীন ভাষা ব্যবহার বন্ধ, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বন্ধের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au