চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৮ ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটি জানায়, জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তরাঞ্চলে ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী এক নারী এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, গত ২১ জানুয়ারি ওই নারীর শরীরে নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলোর মধ্যে ছিল জ্বর, মাথাব্যথা, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, মানসিক বিভ্রান্তি ও খিঁচুনি। উপসর্গ শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরদিন পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, ওই নারীর কোনও বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস ছিল না। তবে তিনি কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন, যা নিপাহ সংক্রমণের একটি পরিচিত উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। পরীক্ষার ফল অনুযায়ী তাদের সবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এবং এখন পর্যন্ত নতুন কোনও রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে সতর্কতা ও স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে তাপমাত্রা পরীক্ষা শুরু করেছে।
নিপাহ ভাইরাস মূলত সংক্রমিত বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষ করে বাদুড়ের লালা বা মল দ্বারা দূষিত ফল বা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, যদিও এটি সহজে একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায় না।
বর্তমানে নিপাহ ভাইরাসের জন্য কোনও স্বীকৃত ওষুধ বা টিকা নেই। এর আগে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া চারজন নিপাহ আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমানে এই ভাইরাস আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম এবং এ কারণে কোনও দেশ বা বাণিজ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুপারিশ করা হয়নি।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au