প্রথম ভাষণে টেলর অভিবাসন নীতি ও কর সংস্কারের বিষয়ে ইঙ্গিত দেন। তবে বিস্তারিত কর্মসূচি পরে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরাজয় মেনে নিয়ে সুসান লে সৌজন্যের সঙ্গে বিদায় ঘোষণা করেছেন। ২৫ বছরের সংসদীয় জীবন শেষে তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন বলে জানান। ফারার আসনের এমপি লে বলেন, সাম্প্রতিক কোয়ালিশন সংকট ও দলীয় অস্থিরতার পর নতুন নেতাকে দল গোছানোর সুযোগ করে দিতেই তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহ তিনি নিজের আসনের ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতেই সময় দেবেন বলেও জানান।
ডেপুটি নেতৃত্বে টানা দুই দফা ভোটের পর জেন হিউম ৩০–২০ ভোটে টেড ও’ব্রায়েনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন।
এদিকে ওয়ান নেশন পার্টির নেত্রী পলিন হ্যানসন লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “নতুন জকি, কিন্তু ঘোড়াটা একই মৃত।” তাঁর ভাষায়, এই পরিবর্তন “খুবই দেরিতে এবং খুবই কম।” তিনি বলেন, নেতা বদলালেও নীতির মৌলিক পরিবর্তন না হলে জনগণের আস্থা ফেরানো সম্ভব নয়।
হ্যানসনের মতে, সদ্য বিদায়ী নেতা সুসান লের আসন ফারারে আসন্ন উপনির্বাচন টেলরের নেতৃত্বের জন্য বড় পরীক্ষা হবে। তিনি পানি সংকট ও মারি-ডার্লিং অববাহিকায় কৃষকদের পানির অভিগম্যতার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, এসব বাস্তব সমস্যার সমাধান না হলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।
উল্লেখ্য, গত বছর ফারার আসনে দুই-দলীয় পছন্দের ভোটে ৫৬–৪৪ শতাংশ ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন সুসান লে। ফলে আসনটি লিবারেলদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলেই ধরা হচ্ছে।
অন্যদিকে লেবার পার্টি ইতোমধ্যে অ্যাঙ্গাস টেলরকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গাত্মক বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেছে। বিজ্ঞাপনে টেলরকে আগের সরকারের ‘অবশিষ্টাংশ’ বলে আখ্যা দিয়ে উচ্চ কর, বড় বাজেট ঘাটতি, ওয়ার্ক ফ্রম হোম বাতিলের চেষ্টা, হাজার হাজার ফ্রন্টলাইন কর্মী ছাঁটাই এবং করদাতাদের অর্থে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের পারমাণবিক প্রকল্পের পরিকল্পনার সঙ্গে তাঁকে যুক্ত করা হয়েছে।
ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতির প্রসঙ্গটি আবারও আলোচনায় এসেছে। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে নতুন ডেপুটি জেন হিউম স্বীকার করেছেন, বিষয়টি আগের নির্বাচনে লিবারেলদের ক্ষতির কারণ হয়েছিল এবং সে কারণেই নীতিটি বাদ দেওয়া হয়েছে।