তীব্র বিক্ষোভের মুখে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
মেলবোর্ন, ২১ জুন- টানা ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন…
মেলবোর্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারি- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্ট সরিয়ে নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাস পরে আর দেখা যায়নি।
পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে এবং দলটি এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দেয় ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করে। তবে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল আরও গভীর ও জটিল বাস্তবতার দিকও তুলে ধরে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত একটি শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে বিপুলসংখ্যক ভোট কাঠামোগত কারণে যথাযথ মূল্যায়ন পায় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৫৩টি আসনে বিএনপি জোট কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে এবং কয়েকটি আসনের ফল নির্বাচন কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
তিনি লেখেন, এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু আসনে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিতের দায়িত্বশীল উদ্যোগ। যেখানে ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে পুনর্গণনা ও প্রতিকারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংস্কারের পক্ষে ভোটারদের যে রায় এসেছে, তা সম্মান করা উচিত। আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দেশ পরিচালনার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষতার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, সহিংসতা বা ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির প্রতি সংবিধানের বিধান মেনে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
এ বিষয়ে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ওলিউল্লাহ নোমান শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আমির একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, তবে সেটি সরানো হয়েছে কি না তা তিনি নিশ্চিত নন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au