ফারুক ওয়াসিফ, আপনিও!
মেলবোর্ন, ৫ মার্চ- দুর্নীতির বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ লেখক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক হিসেবে ফারুক ওয়াসিফ দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত। ব্যক্তি পর্যায়ের দুর্নীতি কীভাবে রাষ্ট্রের ভিত নষ্ট করে, অর্থনীতি…
মেলবোর্ন, ২০ ফেব্রুয়ারি- ব্রিটিশ রাজা চার্লস তৃতীয়–এর ছোট ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু-কে পুলিশি হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ৬৬ বছরে পা রাখেন অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর। জন্মদিনেই থেমস ভ্যালি পুলিশের গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন তিনি। চলতি মাসের শুরুতে পুলিশ জানায়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন-এর কাছে সরকারি নথি সরবরাহের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তাধীন অবস্থায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্স-কে বলেন, সন্ধ্যা সাতটার দিকে পূর্ব ইংল্যান্ডের আইলশাম পুলিশ স্টেশন থেকে প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে বের হতে দেখা যায়। মুক্তির পর তোলা ছবিতে তাকে একটি গাড়ির ভেতরে বসা অবস্থায় দেখা গেছে।
অ্যান্ড্রুর গ্রেপ্তারের বিষয়টি আগে থেকে বাকিংহাম প্যালেস-কে জানানো হয়নি বলে জানা গেছে। এক বিবৃতিতে রাজা চার্লস বলেন, তিনি বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জেনেছেন এবং কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং রাজপরিবার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও প্রিন্স ফিলিপের দ্বিতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু দীর্ঘদিন রয়্যাল নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধে অংশ নেন। পরে ২০০১ সালে তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি করা হয়। সেই সময়কার কর্মকাণ্ড থেকেই বর্তমান তদন্তের সূত্রপাত বলে জানা গেছে।
এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে ২০১১ সালে তাকে বাণিজ্য দূতের পদ ছাড়তে হয়। ২০১৯ সালে এপস্টেইন পুনরায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর অ্যান্ড্রু বিবিসির নিউজনাইট অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এরপর তিনি সব সরকারি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
২০২১ সালে এপস্টেইনের এক ভুক্তভোগী ভার্জিনিয়া জিউফ্রে নিউইয়র্কে অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার সামরিক উপাধি ও রাজকীয় দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়। পরে সমঝোতার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হয়।
সর্বশেষ ঘটনার পরও প্রিন্স অ্যান্ড্রু ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকার তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছেন। তার কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au