ব্যালন ডি’অর ২০২৬: মনোনয়ন প্রকাশ শুরু, সেরা হওয়ার দৌড়ে যারা
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের ২০২৬ সালের মনোনয়ন প্রকাশ শুরু হয়েছে। মূল পুরস্কারের পাশাপাশি সেরা গোলরক্ষক, সেরা তরুণ খেলোয়াড়, সেরা কোচ ও…
মেলবোর্ন, ০১ মার্চ- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–র মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর দেশটির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কোথাও শোকের আবহ, আবার কোথাও রাস্তায় নেমে উল্লাস করতে দেখা গেছে মানুষকে।
রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি বড় শহরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ রাস্তায় জড়ো হয়ে আনন্দ প্রকাশ করছে। কেউ কেউ আতশবাজি ফোটাচ্ছেন, আবার কেউ খোলা গাড়িতে পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। যদিও এসব দৃশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি শোকবার্তা প্রচার করে জানায়, দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। সরকারি ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খামেনির মৃত্যু নিয়ে প্রথমে দাবি তোলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স সংবাদ সংস্থা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার নেতৃত্বে দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামো পরিচালিত হয়েছে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ইরান এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক অধ্যায়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au