মেলবোর্ন, ০১ মার্চ- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে জানায়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে করণীয় সম্পর্কে ইরানের সংবিধানে স্পষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারিত আছে।
সংবিধান অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবে তিন সদস্যের একটি পরিষদ। এই পরিষদে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল–এর একজন ধর্মীয় সদস্য। তারা সাময়িকভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব তদারক করবেন, যতক্ষণ না নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।
এ ছাড়া ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানিকে কিছু বিশেষ কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় তেহরানে নিজ কার্যালয়ে খামেনি নিহত হন। পরে ইরান তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা