ডেঙ্গুতে এ বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৭১
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার…
মেলবোর্ন, ২৩ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাব ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার ‘কোবরা’ নামে পরিচিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।
সরকারি সূত্র জানায়, বৈঠকে অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি অংশ নেবেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ও জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন।
বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সরকারি কোষাগারের চাপের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশটির অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়েছে। এর প্রভাবে ব্রিটিশ সরকারি বন্ডের দর দ্রুত কমে যাওয়ার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কোবরা’ বৈঠকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব, জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় নীতি ও করণীয় নির্ধারণও এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য।
অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস বলেছেন, চলমান সংঘাত ব্রিটিশ অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। যদিও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমাতে বিভিন্ন ধরনের ব্যয়-সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে, তবে আপাতত সে ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
এদিকে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করার অজুহাতে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়, তাহলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এতে করে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অর্থবাজারও নতুন করে অস্থিরতার মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যার সরাসরি প্রভাব যুক্তরাজ্যের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর পড়বে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au