ফেসবুকে রিলস-পোস্ট শেয়ার করে মাসে ৩০০০ ডলার আয়ের সুযোগ!
মেলবোর্ন, ২৪ মার্চ- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করে আয়ের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটি ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ নামে নতুন একটি কর্মসূচি চালু করেছে, যার…
মেলবোর্ন, ২৩ মার্চ- ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে সোমবার রাতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তেহরানের মধ্যাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দের পাশাপাশি রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলার কারণে ইরানের আরও অনেক শহরে বিস্ফোরণ ঘটছে।
বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, এতে একজন নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের আবাসিক এলাকায় হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশজুড়ে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে হামলার তীব্রতা বিবেচনায় এই সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আহভাজে একটি হাসপাতালও হামলার কবলে পড়েছে। এছাড়া ইসফাহান ও কারাজ শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে হাসপাতাল, স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব কার্যালয় অন্তর্ভুক্ত। কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের তাবরিজে দুটি পৃথক হামলায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাপরিচালক মজিদ ফারসি জানিয়েছেন, মারজদারান এলাকার একটি আবাসিক ভবনে হামলায় চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। এছাড়া রাবে রাশিদি এলাকার একটি পার্কে আরেকটি হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। তবে এই হামলার দায় স্বতন্ত্র কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
একই সময়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, টায়ারের আল-শাহাবিয়া এলাকায় এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন। হামলায় একটি আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী লিতানি নদীর ওপর অবস্থিত কাকাইয়া সেতুটি ধ্বংস করেছে। এই সেতুটি টায়ারের গ্রামগুলোর সঙ্গে উত্তরের অন্যান্য এলাকার সংযোগ রক্ষা করত।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও লেবাননে বিস্ফোরণ ও হামলার ধারা অব্যাহত থাকায় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত ক্ষতির মাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ এসব হামলার প্রভাব শুধুমাত্র বেসামরিক নাগরিকের উপর সীমাবদ্ধ নয়, দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকেও বিপর্যস্ত করতে পারে।
সূত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au