মহান স্বাধীনতা দিবস আজ, বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে জাতি
মেলবোর্ন, ২৬ মার্চ- আজ ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে নতুন…
মেলবোর্ন, ২৫ মার্চ- বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা IQAir-এর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন। এতে দেখা গেছে, বায়ুদূষণে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান এবং তার পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে বছরে গড় সূক্ষ্ম ধূলিকণার (পিএম২.৫) মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৬৭ দশমিক ৩ মাইক্রোগ্রাম, আর বাংলাদেশে তা ৬৬ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম। এই মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত নিরাপদ সীমা প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের তুলনায় ১৩ গুণেরও বেশি, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে তাজিকিস্তান, আর চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে চাদ ও কঙ্গো। আইকিউএয়ার জানায়, তাদের পর্যবেক্ষণাধীন ১৪৩টি দেশের মধ্যে ১৩০টিই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত বায়ুমান মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালে পাকিস্তানকে বিশ্বের সবচেয়ে ধূলিময় দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন গবেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বৈশ্বিক বায়ু পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ায় চাদ ও মধ্য এশিয়ার বেশ কিছু দেশের দূষণের প্রকৃত চিত্র নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ২৫টি শহরের প্রায় সবগুলোই ভারত, পাকিস্তান ও চীনে অবস্থিত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও দেশ হিসেবে ভারত তালিকার শীর্ষে নেই, তবে দূষিত শহরের সংখ্যায় দেশটির অবস্থান উল্লেখযোগ্য। বায়ুমান অবনতির পেছনে দাবানল, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অনিয়ন্ত্রিত শিল্প দূষণকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ দাবানল বায়ুর মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মাত্র ১৪ শতাংশ শহর নিরাপদ বায়ুমানের মধ্যে রয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় আরও কম।
অন্যদিকে পরিষ্কার বায়ুর দিক থেকে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া, পুয়ের্তো রিকো, ভার্জিন আইল্যান্ড, বার্বাডোস, নিউ ক্যালেডোনিয়া, আইসল্যান্ড, বারমুডা, ফ্রেঞ্চ রিইউনিয়ন, অ্যান্ডোরা ও অস্ট্রেলিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং কার্যকর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অভাবই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে ক্রমেই এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au