ধথর্ষকারী আকাশ মোল্লা, ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ৩ এপ্রিল- মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিয়ের প্রলোভনে এক হিন্দু নাবালিকা ( ১৬)কে ধর্ষষের অভিযোগ উঠেছে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে । বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের কয়েক মাস পরে প্রেমিক ও প্রেমিকের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ আইনে সিংগাইর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতার মাসি ( খালা) ।
ধর্ষণ মামলা দায়ের পর মামলার তদন্তকারী অফিসার সাব ইন্সপেক্টর হাসিনা আক্তার ধর্ষণকারী মো. আকাশ মোল্লা (২১) গত ২৭ মার্চ রাতে তার নিজ বাড়িতে আটক করেন। ২৮ মার্চ ( শনিবার ) দুপুরে পুলিশ পাহারায় তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয় ।
মামলার বাদী রিতা শিকদার অভিযোগ উল্লেখ্য করেন যে, উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়মের কমলনগর গ্রামের তার বড় বোনের মেয়ে ( মিষ্টি তালুকদার ছদ্ম নাম ) তার বাড়িতে একই উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের সানাইল গ্রামে প্রায় ৬ মাস আগে ( মিষ্টি তালুকদার ছদ্ম নাম ) বেড়াতে আসে । এর মধ্যে একই গ্রামের আমার প্রতিবেশী মিন্টু মোল্লার ছেলে মো. আকাশ মোল্লা এর সাথে পরিচয় ।
এক পর্যায়ে তারা দুজনে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গভীর প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। প্রেমিক আকাশ মোল্লা তার বোনের মেয়ের মিষ্টি তালুকদারের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল । প্রেমিক আকাশ মোল্লা মিষ্টি তালুকদারকে বিয়ে করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সূষ্টি করে।
মিষ্টি তালুকদার প্রেমিক আকাশ মোল্লাকে বলে যে, আমি তো সনাতন ধর্মের লোক তখন প্রেমিক আকাশ মোল্লা বলে যে, তুমি সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো আমি তোমাকে বিয়ে করবো।
সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে এক পর্যায়ে তার বোনের মেয়েকে প্রেমিক আকাশ মোল্লা ও তার সহযোগী একই গ্রামের চান মিয়ার মোল্লার ছেলে মো. লিটন মোল্লা (৪২) গত বছরের নভেম্বর মাসের ৩০ তারিখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার বোনের মেয়েকে কমলনগর গ্রাম হতে উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের আত্রাইল গ্রামের জৈনিক ফাতেমা আক্তারের বাড়িতে নিয়ে যাই।
সেখানে গিয়ে প্রেমিক আকাশ মোল্লা পরের দিন তাকে মানিকগঞ্জ নিয়ে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে করবে বলে রাতভর একাধিক ধর্ষণ করে । পরের দিন তাকে বিয়ে না করে প্রেমিক আকাশ মোল্লা ও তার সহযোগী মিলন মোল্লা ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন. একজন হিন্দু নাবালিকা মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একজন মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে বলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ধর্ষিতার খালা রিতা শিকদার ।মামলার তদন্তকারী অফিসার ধর্ষণকারী আকাশ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।