বাংলার বৈশাখ, বাঙালির বৈশাখ। ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলার বৈশাখ আসে, শেষচৈত্রের তপ্ত-নিঃশ্বাসে,
বাঙালির বৈশাখ আসে, তবুও প্রাণের বিপুল উচ্ছ্বাসে।
বাংলার বৈশাখ আসে, নিদাঘের দাবদাহ-ত্রাসে,
বাঙালির বৈশাখ আসে, তবু বিচিত্র বর্ণের অনুপ্রাসে!
বাংলার বৈশাখ আসে, তপ্ত-রুদ্র তাপসনিঃশ্বাসে,
বাঙালির বৈশাখ আসে, দানব-ভ্রূকুটি হেনে অট্টহাসে।
বাংলার বৈশাখ আসে, কৃষ্ণচূড়ায়, অশোক-শিমুল-পলাশে,
বাঙালির বৈশাখ আসে, ঘরে-ঘরে, প্রাণে-প্রাণে নূতন আশ্বাসে।
বাংলার বৈশাখ আসে, আগুনঝরা উন্মাদ প্রলয়বাতাসে
বাঙালির বৈশাখ আসে, শুচিশুদ্ধ প্রাণের স্নিগ্ধ আভাসে।
বাংলার বৈশাখ আসেই, সময় যতই হোক বিরূপ,
বাঙালির বৈশাখ আসেই, বলে ‘আমি মঙ্গলের প্রতিরূপ’।
বাংলার বৈশাখ আসবেই, বাংলার অবুঝ-সবুজ প্রাণে,
বাঙালির বৈশাখ আসবেই, মরমী কবি-শিল্পীর গানে গানে।
মধুর সৌরভে, অতুল গৌরবে, রাজসিক বেশে এসেছে বৈশাখ,
বাজাও বাজাও ভগ্নি-জননী, তোমার কল্যাণ-হাতে মঙ্গলশাঁখ।
ক্যানবেরা, পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩। ১৪ এপ্রিল ২০২৬।