বন্ডাই হামলা নিয়ে রয়্যাল কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ, ১৪ দফা সুপারিশ
মেলবোর্ন, ৩০ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই বিচে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার তদন্তে গঠিত রয়্যাল কমিশন তাদের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে হামলার সময় দেশটির নিরাপত্তা…
মেলবোর্ন, ৩০ এপ্রিল- আইএসআইএসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত ১৩ জন নারী ও শিশুর সম্ভাব্য অস্ট্রেলিয়া প্রত্যাবর্তন নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন, এদের কেউ দেশে ফিরতে চাইলে সরকার সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না, তবে আইন ভঙ্গের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে টনি বার্ক বলেন, এই নারী ও শিশুরা একক কোনো সংগঠিত দল নয় এবং প্রত্যেকের আইনি অবস্থান ও পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাই তাদের সবাইকে একইভাবে বিবেচনা করা যাবে না।
তিনি জানান, সিরিয়ার আল-রোজ আটক শিবির থেকে সম্প্রতি এই ব্যক্তিরা বের হয়ে রাজধানী দামেস্কে গেছেন বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। এছাড়া পশ্চিম সিডনির একজন চিকিৎসকের সহায়তায় তারা পাসপোর্ট পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
টনি বার্ক আরও বলেন, সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে এবং কোনো গ্রেপ্তার বা আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়ার দায়িত্বও তাদেরই। এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের প্রশাসনিক বা কার্যকরী হস্তক্ষেপ করবেন না বলে স্পষ্ট করেন।
তিনি বলেন, “যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে আইনের পূর্ণ শক্তির মুখোমুখি হতে হবে।” একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, এই ব্যক্তিদের কেউ কেউ হয়তো এখনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন আদৌ তারা অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে চান কি না।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই গোষ্ঠীর অন্তত একজনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যার ফলে তাকে দুই বছর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সরকার বারবার বলেছে, তারা এই গোষ্ঠীকে কোনো ধরনের প্রত্যাবর্তন সহায়তা দেয়নি। তবে আইনের অধীনে নাগরিক হিসেবে তাদের কিছু অধিকার রয়েছে, যার মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, আইএসআইএস-সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যাবর্তন প্রশ্নে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
সূত্রঃ news.au
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au