আসামের নতুন সরকারের শপথে থাকছেন মোদি, শাহ-রাজনাথসহ এনডিএর শীর্ষ নেতারা
মেলবোর্ন, ১১ মে- ভারতের আসামে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে…
একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে আঘাত হানতে সক্ষম ‘অগ্নি’ সিরিজের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড যৌথভাবে এই পরীক্ষা পরিচালনা করে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গত ৮ মে ওড়িশা উপকূলের ড. এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটির উৎক্ষেপণ করা হয়। পরীক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল বা এমআইআরভি প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ক্ষেপণাস্ত্র থেকেই ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানে থাকা একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে পৃথকভাবে আঘাত হানা সম্ভব।
ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি একাধিক ওয়ারহেড বা বিস্ফোরক বহন করে সফলভাবে উড্ডয়ন করে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানে।
পরীক্ষার পুরো সময়জুড়ে ভূমি ও সমুদ্রভিত্তিক একাধিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতিপথ, গতি এবং আঘাতের নির্ভুলতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মিশনের সব লক্ষ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমআইআরভি প্রযুক্তি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ একটি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া প্রতিটি ওয়ারহেড আলাদা গতিপথ অনুসরণ করে পৃথক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। ফলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সবগুলোকে একসঙ্গে প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
যদিও ডিআরডিও এখনো ক্ষেপণাস্ত্রটির আনুষ্ঠানিক নাম প্রকাশ করেনি, তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এটিকে ‘অগ্নি-৫’ সিরিজের উন্নত সংস্করণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পরীক্ষা ভারতের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।
এর আগে ভারত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমেও নিজেদের সামরিক সক্ষমতার প্রদর্শন করেছে। সর্বশেষ এই পরীক্ষা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au