ট্রাম্পের হুমকির পর ওমানের পাশে দাঁড়াল ইরান
মেলবোর্ন, ২৮ মে- হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুমকির পর এবার ওমানের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলের এই নতুন কূটনৈতিক…
মেলবোর্ন, ২৮ মে- কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির কাছে একটি আবাসিক বিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ৭৪ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে গিলগিল এলাকার উতুমিশি গার্লস স্কুলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার সময় ডরমিটরিটিতে প্রায় ২২০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
পুলিশ ও কেনিয়া রেড ক্রস জানায়, গভীর রাতে হঠাৎ ডরমিটরির ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ভবন গ্রাস করে নেয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেক শিক্ষার্থী চিৎকার করতে করতে জানালা ও ওপরতলা থেকে লাফ দেয়। এতে বহু শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়।
উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কমান্ডার মাসউদ মুইনি বলেন, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। পুরো এলাকা ঘিরে রেখে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে শর্টসার্কিট কিংবা নিরাপত্তা ত্রুটিকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ে ছুটে আসা অভিভাবকদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। শিক্ষার্থী ওয়াম্বুই নদেরিতুর খালা জানান, প্রাণ বাঁচাতে তার ভাতিজি ভবনের ওপর থেকে লাফ দেয়। এতে তার পা ভেঙে গেছে, তবে সে জীবিত আছে বলেই পরিবার কৃতজ্ঞ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেনিয়ার আবাসিক বিদ্যালয়গুলোতে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, অপর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা নির্দেশনা না মানার কারণে বারবার এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে। এর আগেও দেশটিতে বিভিন্ন স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে বহু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছিল। এবারও সেই পুরোনো প্রশ্ন সামনে এসেছে—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কতটা প্রস্তুত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au