মেলবোর্ন, ১৪ জুন- দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও গোলের দেখা পেল স্কটল্যান্ড। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের নায়ক হয়ে উঠলেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। তার দুর্দান্ত গোলে বিশ্বকাপ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে স্কটিশরা।
বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের শেষ গোলটি এসেছিল ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে। এরপর কেটে গেছে প্রায় তিন দশক। একাধিক আসরে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হওয়া দলটি অবশেষে ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিরে এসে সেই দীর্ঘ গোলখরা কাটাতে সক্ষম হলো।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্কটল্যান্ড। মাঝমাঠে জন ম্যাকগিনের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তারা। প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা মিলছিল না। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটি আসে।
একটি দারুণ দলীয় আক্রমণ থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠান জন ম্যাকগিন। গোলের সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্কটিশ সমর্থকরা। কারণ এটি শুধু ম্যাচের গোলই নয়, বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানো গোল।
গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে স্কটল্যান্ড। রক্ষণভাগও ছিল দৃঢ়। ফলে প্রতিপক্ষকে আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ দেয়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ম্যাকগিনের একমাত্র গোলেই মূল্যবান জয় নিশ্চিত করে দলটি।
ম্যাচ শেষে জন ম্যাকগিন বলেন, এই গোল এবং জয় তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। তিনি জানান, স্কটল্যান্ডের সমর্থকদের জন্য এমন একটি মুহূর্ত উপহার দিতে পেরে তিনি গর্বিত।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরে এসে এমন জয় স্কটল্যান্ডের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে। আর অধিনায়ক জন ম্যাকগিনের নাম জায়গা করে নিল স্কটিশ ফুটবলের ইতিহাসের স্মরণীয় অধ্যায়ে।
২৮ বছরের গোলখরা ভেঙে বিশ্বকাপে নতুন সূচনার বার্তা দিল স্কটল্যান্ড, আর সেই ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন।