প্রতিবেশের সেতুবন্ধন: ভাষার মিলনে নতুন দিগন্ত
মেলবোর্ন, ১১ জুলাই- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক শুধু কাগজের চুক্তি না, এটা ৪ হাজার কিমি সীমান্তের গল্প। পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত এটি। ২০১৫ সালে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময়ের…
মেলবোর্ন, ১১ জুলাই- অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শ্রীনিবাস আচান্তাকে পুলিশি পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর আদালতে হাজির করা হয়।
শুক্রবার মেলবোর্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সংক্ষিপ্ত শুনানিতে হাজির হন শ্রীনিবাস আচান্তা। এর তিন দিন আগে, গত ৭ জুলাই রাতে মেলবোর্নের পূর্বাঞ্চলের শান্ত আবাসিক এলাকা ভারমন্টের ডেলাটাইট কোর্টের একটি বাড়ি থেকে তার ৩৯ বছর বয়সী স্ত্রী লাভণ্য আচান্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, ৭ জুলাই সন্ধ্যায় শ্রীনিবাস আচান্তা ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী লাভণ্য আচান্তাকে হত্যা করেন। রাত প্রায় ১০টার দিকে জরুরি সেবার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
ঘটনাস্থলে বাড়ির ভেতর থেকে দম্পতির দুই সন্তানকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পরপরই শ্রীনিবাস আচান্তাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
আদালতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাজির করা হলেও অভিযুক্তকে কোনো বক্তব্য দিতে হয়নি। মামলার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতের জন্য প্রসিকিউশনের আবেদনের পর আদালত পুলিশকে ১২ সপ্তাহ সময় দিয়েছেন।
আদালত শ্রীনিবাস আচান্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী ১৩ নভেম্বর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হবে।
শুনানিতে আদালতকে জানানো হয়, অভিযুক্তের আইনজীবী অ্যালেক্স উলফ হেফাজতে তার ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত কিছু লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। তবে সেগুলোর বিস্তারিত খোলা আদালতে আলোচনা করা হয়নি।
স্থানীয় প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে শ্রীনিবাস ও লাভণ্য আচান্তা তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে ভারমন্ট এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তারা সাধারণত নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতেন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা করতেন না।
এদিকে বুধবার ঘটনাস্থলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের বাড়িটি বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করতে দেখা গেছে। শান্ত আবাসিক এলাকার একটি নিরিবিলি সড়কের শেষ প্রান্তে অবস্থিত বাড়িটিতে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au