তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করলে গোল্ডেন বুট পাবে এমবাপ্পে?
মেলবোর্ন, ১৯ জুলাই- বিশ্বকাপের পর্দা নামতে বাকি আর মাত্র দুটি ম্যাচ। রোববারের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তার আগে শনিবার অনুষ্ঠিত হবে…
মেলবোর্ন, ১৮ জুলাই- বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নাম্মি আক্তার নিপা (২০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় মায়ের নিথর দেহের পাশেই কান্না করছিল তার মাত্র তিন মাস বয়সী ছেলে নাহিদ মোল্লা। ঘটনার পর স্বামী বাহাদুর মোল্লাসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ধুনট উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিয়ালী গ্রামের ফরহাদ মোল্লার ছেলে দিনমজুর বাহাদুর মোল্লার সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে গাবতলী উপজেলার বড় ইটালী গ্রামের লালমিয়া প্রামাণিকের মেয়ে নাম্মি আক্তার নিপার বিয়ে হয়। সংসারে আর্থিক সংকট ও পারিবারিক অশান্তির কারণে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ হতো। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান তিন মাস বয়সী নাহিদ মোল্লা।
তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই বাহাদুর মোল্লা স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে তাঁদের রেখে তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। পরদিন আবার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বিকেলে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে ফেরেন। ওই দিন সন্ধ্যার পর প্রতিবেশীরা নিপার স্বজনদের ফোন করে জানান, তিনি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর স্বামী বাহাদুর মোল্লাসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ ঘরের ভেতরেই রেখে বাড়ি থেকে চলে যান। এ সময় মায়ের মরদেহের পাশেই অসহায় অবস্থায় কান্না করছিল তিন মাসের শিশু নাহিদ। খবর পেয়ে রাতে নিপার স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিপার মা জুলেখা বেগম এ ঘটনায় ধুনট থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ঘটনা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ঘটনার পর স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাঁদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au