মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ২ আগস্ট: ইউরোপজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও তীব্র তাপপ্রবাহের প্রভাবে দানিয়ুব নদীর পানির স্তর রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় হাঙ্গেরির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার জানিয়েছেন, গত ৪৪ বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রটি পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে।
রোববার (২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় পিটার মাগিয়ার জানান, দানিয়ুব নদীর পানির স্তর আরও কমে যাওয়ায় রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে দক্ষিণে অবস্থিত পাকস পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শেষ দুটি উৎপাদন ইউনিটের একটি রাত ১টা ৩০ মিনিটে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে এবং পরদিন কেন্দ্রটির সব ইউনিট বন্ধ হয়ে যাবে।
হাঙ্গেরির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় পাকস পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করে। কেন্দ্রটির শীতলীকরণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে দানিয়ুব নদী থেকে পাম্পের মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির ওপর নির্ভরশীল। তবে মে মাস থেকে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং ধারাবাহিক তাপপ্রবাহের কারণে নদীর পানির স্তর রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, যা বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন করে তুলেছে।
এর আগে শুক্রবার কেন্দ্রটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সতর্ক করে জানিয়েছিল, নদীর পানির স্তর একইভাবে কমতে থাকলে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হতে পারে।
এদিকে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা হাঙ্গারোমেট জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন হাঙ্গেরিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে, যা চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে স্থাপিত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ডের সমান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপে চলমান চরম আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু কৃষি ও পরিবেশেই নয়, জ্বালানি অবকাঠামোতেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। দানিয়ুব নদীর পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঘটনা সেই সংকটেরই একটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সুত্রঃ এক্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au