মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ১৬ আগষ্ট: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত কলিম উল্লাহ (৫০) উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার…
মেলবোর্ন, ১৬ আগষ্ট: ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালত নেবে। এটি কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত হবে না বলে জানিয়েছে ভারত সরকারের একটি শীর্ষ সূত্র।
রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের ওই কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নিষ্পত্তি হবে।
তিনি বলেন, “প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আমাদের আদালত। এটি কোনো কূটনৈতিক অথবা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হবে না। আদালতে প্রমাণ করতে হবে, বাংলাদেশে তিনি যে অপরাধ করেছেন, সেগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ কি না।”
ভারত সরকারের আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।তবে তিনি কীভাবে বা কোন পরিস্থিতিতে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সংযুক্ত করেই শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ঢাকার পক্ষ থেকে করা অনুরোধ এখন ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বর্তমানে তিনি নয়াদিল্লির একটি রেস্ট হাউজে রয়েছেন বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভারতে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা দলের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে যোগাযোগ রাখেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত টেবিল টেনিস খেলেন বলেও তারা জানিয়েছেন।
বর্তমানে শেখ হাসিনার বয়স ৭৮ বছর।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।
এর পর থেকেই তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে আসছে ঢাকা। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের বিষয়টি দেশটির প্রচলিত আইন ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতাতেই বিবেচনা করা হবে।
ফলে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কি না, তা এখন ভারতের আইনি প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করছে।
সূত্র-ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au