দুই কিডনি বিকল, বাঁচতে চান শিক্ষক লিটন শর্মা
মেলবোর্ন, ২০ আগষ্ট- দুই কিডনিতে জটিলতা দেখা দেওয়ায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন সিলেটের তরুণ কলেজ শিক্ষক লিটন শর্মা। নিয়মিত ডায়ালাইসিস করেও শারীরিক অবস্থার স্থায়ী উন্নতি হচ্ছে…
মেলবোর্ন, ২০ আগষ্ট- জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় মো. সাহাবুদ্দিনের নামে প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পত্তি ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা না হলে তা হস্তান্তর, বিক্রি বা অন্য কোনোভাবে গোপন করার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সম্পদগুলো জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করে দুদক।
আদালত দুদকের আবেদন বিবেচনা করে তাঁর নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ক্রোকের আওতায় থাকা সম্পদের মধ্যে রয়েছে মো. সাহাবুদ্দিনের নামে থাকা ১৮টি প্লট। এসব প্লট দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া তাঁর নামে থাকা দুটি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। ওই দুই ব্যাংক হিসাবে মোট প্রায় ৩৭ হাজার টাকা রয়েছে বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, মো. সাহাবুদ্দিনের নামে বিভিন্ন স্থানে থাকা সম্পদের মধ্যে এমন সম্পদ রয়েছে, যার সঙ্গে তাঁর বৈধ ও ঘোষিত আয়ের সামঞ্জস্য পাওয়া যাচ্ছে না। এসব সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে দুদক অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রম চালাচ্ছে।
মামলার নথিতে মো. সাহাবুদ্দিনকে ঢাকার সিদ্ধিক বাজার এলাকার বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রব। নথিতে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাতার বাড়ি গ্রামে বলা হয়েছে।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের এই আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট ১৮টি প্লট হস্তান্তর বা বিক্রির সুযোগ থাকবে না। একইভাবে দুটি ব্যাংক হিসাবের অর্থও আদালতের অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বা স্থানান্তর করা যাবে না।
তবে আদালতের এই আদেশ সম্পদের মালিকানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সম্পদগুলো বৈধ আয় থেকে অর্জিত কি না এবং দুদকের অভিযোগের সত্যতা রয়েছে কি না, তা পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au