হাইতিতে গ্যাংয়ের হামলায় নিহত ৪৭, নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা
মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের কাছে কেন্সকফ এলাকায় রাতভর সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন।…
মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল ও তার পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর স্বচ্ছ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত আদালতে প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান সনাতন চক্রবর্তী। তিনি জানান, সোমবার বিকালে মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।
মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিনাত আলী। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর পুরোনো ও নতুন দুই তদন্ত কর্মকর্তাই ঘটনাস্থল মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় আগের তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের বিভিন্ন বিষয় নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এখন থেকে ডিবি পুলিশ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেবে।
সনাতন চক্রবর্তী বলেন, রবিবার রাত পর্যন্ত মামলার দুই আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত সূত্রে তারা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা পুলিশের পক্ষ থেকে এর আগে সংবাদ সম্মেলনে জানানো ঘটনার সঙ্গে মূলত মিল রয়েছে। তবে জবানবন্দিতে তারা কিছু অতিরিক্ত তথ্যও দিয়েছেন, যা তদন্তে যাচাই করা হবে।
এর আগে গত শনিবার রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন রবিবার ভোরে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।
রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানান, শিক্ষকের বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
পরে রবিবার বিকালে নিহত চারজনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর নগরীর দখিগঞ্জ শ্মশানে চারজনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
এদিকে রবিবার রাতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দুই আসামিকে রংপুর মহানগর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এখন ডিবির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা জিনাত আলীর নেতৃত্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় বিস্তারিতভাবে তদন্ত করা হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au