স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত চায় অস্ট্রেলিয়ার সংগঠন এএফইআরএমবি। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় স্বাধীন, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের দাবি জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজ ইন বাংলাদেশ (এএফইআরএমবি)।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ঘটনাটির ভয়াবহতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি তদন্ত প্রয়োজন, যার মাধ্যমে পুরো ঘটনার সত্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের বিষয়টিও তারা অবগত। তবে মামলার গুরুত্ব ও হত্যাকাণ্ডের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তদন্ত অবশ্যই স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং প্রমাণনির্ভর হতে হবে।
এএফইআরএমবি বলেছে, শুধু বিচার হলেই হবে না, সেই বিচার যে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ এবং স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হয়েছে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
সংগঠনটি বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্বাধীন, স্বচ্ছ ও বৈজ্ঞানিকভাবে কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ সত্য উদ্ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগষ্ট(শনিবার) রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে গত শনিবার রাতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।