৭৯ শতাংশ অস্ট্রেলীয় মনে করেন সমাজ সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে
অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশটির ভবিষ্যৎ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে। নতুন এক জাতীয় জরিপে দেখা গেছে, ৭৯ শতাংশ অস্ট্রেলীয় মনে করেন…
স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন শান্তকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাঁদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক শিবলী সাদিক শিবলুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রিপন হোসেন ও আল আমিন হোসেন শান্তকে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান লিপকন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট মালয়েশিয়াপ্রবাসী কাউসার হোসেন তাঁর বোনের বিয়ের জন্য পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার বাংলাদেশে পাঠান। বিমানবন্দর থেকে কাউসারের ছোট ভাই মো. সুমন ও তাঁর বন্ধু রোহান ওই ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণালংকারগুলো গ্রহণ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পৌঁছানোর পর রিপন হোসেন, আল আমিন হোসেন শান্ত, বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল তাঁদের গতিরোধ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের লোক হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাঁদের কাছে বোমা রয়েছে বলে ভয় দেখান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে তাঁদের মারধর করে সঙ্গে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট বিমানবন্দর থানায় মো. সুমন বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলার পর আল আমিন হোসেন শান্ত ও আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
গত শনিবার রাত ১০টার দিকে বিমানবন্দর এলাকার ১ নম্বর সেক্টর থেকে আল আমিন হোসেন শান্ত ও আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাঁদের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড শেষে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক সাব্বির হোসেন তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, আদালতের বাইরে বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়েছে। জামিন পেলে আসামিরা পালিয়ে যাবেন না বলেও আদালতকে জানান তিনি।
তবে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au