কঙ্গোতে ইবোলা মহামারিতে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৩ হাজার
মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশটিতে এই রোগে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে,…
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর বিষয়টি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদক সূত্র জানায়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতি এবং পছন্দের ব্যক্তিদের পছন্দের জায়গায় পদায়নের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।
অভিযোগ অনুসন্ধানে একজন উপপরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। দলটি অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, পদায়ন ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়গুলো যাচাই করবে।
দুদকের অনুসন্ধানের আওতায় থাকা ব্যক্তিরা হলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুল আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং পছন্দের ব্যক্তিদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং বা পদায়নের অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে আসা অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও নতুন করে পদায়নের ক্ষেত্রে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতিতে প্রায় দেড় কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে।
পাশাপাশি পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের পছন্দের জায়গায় পদায়নের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রায় ২ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের কথা জানিয়েছে দুদক।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, এসব অভিযোগের ভিত্তিতে এখন বিস্তারিত অনুসন্ধান করা হবে। অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত, কীভাবে অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং অভিযোগের পেছনে কোনো প্রমাণ বা নথিপত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
তবে অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাইয়ের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগেরই প্রাথমিক যাচাইয়ের পর এবার আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানে যাচ্ছে দুদক।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au