পরিকল্পনা করে বাংলা ভাষা বিকৃত করা হয়েছিল: শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গের আগের তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাংলা ভাষার পাঠ্যক্রমে পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, বাংলা…
জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ঘটনার পর ইইউর কয়েকটি সদস্য দেশ নিজ নিজ দেশে রাশিয়ার কূটনীতিকদের তলব করেছে। একই সঙ্গে মস্কোর বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস ঘটনাটিকে ‘রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের’ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বলে মন্তব্য করেছেন। আয়ারল্যান্ডে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি বলেন, লাইপজিগ বিমানবন্দরের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এখন এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেটিই মূল প্রশ্ন।
কাজা কালাস জানান, ইইউ রাশিয়ার দূতকে তলব করেছে। পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোও নিজ নিজ রাজধানীতে রুশ কূটনীতিকদের ডেকে ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো বলেন, এত গুরুতর একটি ঘটনা কোনো শাস্তি ছাড়া যেতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, প্যারিসে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে।
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুলও রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তার অভিযোগ, রাশিয়া চলমান পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে এবং এর পরিণতি মস্কোকে ভোগ করতে হবে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন লাইপজিগের ঘটনাকে ইউরোপে ‘নতুন মাত্রার উত্তেজনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূখণ্ডে সামরিক মানের সরঞ্জাম ব্যবহার করে রুশ এজেন্টদের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদোস্লাভ সিকোরস্কি বলেন, ইউরোপ রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘাত চায় না। তবে তার মতে, রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে হাইব্রিড যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ফলে ইউরোপ এখন আর স্বাভাবিক শান্তিকালীন পরিস্থিতির মধ্যে নেই।
এদিকে রাশিয়ার সামরিক শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় এক হাজার ৬০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আগামী মাসে এসব নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের লক্ষ্য রয়েছে।
কাজা কালাস বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা এ ধরনের হাইব্রিড হামলার অভিযোগকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা উচিত। তার মতে, এসব ঘটনা ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au