জামিন পেয়েও কেন এখনও মুক্তি পাননি সেই মহিলা লীগ নেত্রী
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক ও সহিংসতার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিন পেলেও আইনি কাগজপত্রের জটিলতায় এখনো কারামুক্ত…
আজ ১৭ এপ্রিল, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পাতায় অবিস্মরণীয় একটি দিন, যা ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস নামে পরিচিত।
এদিন মেহেরপুরের তৎকালীন বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে (বর্তমানে মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করে যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। এ সরকারের নেতৃত্বে ৯ মাস যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
দিবসটি উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। মেহেরপুরের মুজিবনগরে স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতি কমপ্লেক্স, আম্রকাননে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ পুরো মুজিবনগর জুড়ে করা হয়েছে রঙের কাজ।
দিনটির শুরুতেই সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিসৌধে পতাকা উত্তোলন করেন বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক ই আজম। এর পরে তিনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন।

মুজিব নগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। ছবি: সংগৃহীত
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক ই আজম জানান, ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও মুজিব নগর সরকারের নাম পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেই।
তিনি বলেন, ‘মুজিবনগর সরকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সাংবিধানিক সরকার। এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গেও সংযোগ স্থাপন করেছে। তখনকার নির্বাচিত যে নেতৃবৃন্দ ছিলেন, তারাই এই সরকার গঠন করেছেন। ১৭ এপ্রিল জাতির জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মুজিবনগর সরকারের নাম পরিবর্তনের কোনও ইচ্ছা এ সরকারের নেই। কারণ ইতিহাস কখন মোছা যায় না। ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রাখতে হয়। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এসে কী করবে এটি তাদের ব্যাপার। আমাদের অনেক গৌরবের বিষয় আছে, যেগুলো আমরা ইচ্ছে করে বিতর্কিত করতে চাই না। ইতিহাস অমোচনীয় থাকা উচিত।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব লে. কর্নেল মো: আব্দুল গাফফার, তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন, সহকারি একান্ত সচিব আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।
মেহেরপুর পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম জানান, ১৭ এপ্রিলকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিনটিকে ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গোটা এলাকা নিরাপত্তার বেষ্টনীতে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au