শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে আদালতে পরীমনি-কাণ্ড, কাকতালীয় নাকি পরিকল্পিত?
ভাস্কর দত্ত দেশে শ্রমিকদের আন্দোলন, বেতন-ভাতা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে যখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বড় অংশের মনোযোগ কেড়ে…
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের অবশিষ্ট অংশও ধ্বংস করতে হতে পারে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা শিগগিরই স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখন ভাবছি, এই লড়াই আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে একবারেই এর চূড়ান্ত পরিণতি ঘটানো উচিত কি না। যাতে এই সমস্যা বা বিপদ আর কখনো ফিরে আসতে না পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না। কিন্তু হয়তো শেষ পর্যন্ত আমাকে সেটাই করতে হতে পারে। আপনারা খুব শিগগিরই জানতে পারবেন।’
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর দেশটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে ইরানের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে অন্তত ২৫ বছর সময় লাগতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া জানতে চান সাংবাদিকেরা।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটনের অংশগ্রহণ বা অনুমতি ছাড়া ইরান কিছুই করছে না।
ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েও নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকেরা।
সূত্র: আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au