ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ইস্যু
মেলবোর্ন, ১০ জুন- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আসন্ন সীমান্ত বৈঠককে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ…
মেলবোর্ন, ১৫ মে— ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের চান্দেল জেলায় দেশটির আধাসামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলস (এআর) এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১০ সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছেন। চান্দেল জেলাটি ভারত-মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন।
বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়াটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে, ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে চান্দেল জেলার নিউ সামতাল গ্রামের কাছে সশস্ত্র ক্যাডারদের গতিবিধি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, স্পিয়ার কর্পসের অধীনে আসাম রাইফেলসের একটি ইউনিট বুধবার অভিযান শুরু করে, যা এখনও চলছে। অভিযানে গুলিবিনিময়ে অস্ত্রধারী দলের অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের চান্দেল জেলার খেংজয় উপজেলার নিউ সামতাল গ্রামে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।”
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের শুরু ২০২৩ সালের মে মাস থেকে। সে বছর ৪ মে মণিপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীকে তফসিলি জাতি হিসেবে ঘোষণা করে মণিপুর হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে রাজ্যটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠী কুকি।
কিন্তু খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কুকিদের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ রূপ নেয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায়। অশান্ত সেই পরিস্থিতির সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিদ্রোহী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অধিকাংশই কুকি এবং জো জাতিগোষ্ঠীর।
গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই জাতিগত সংঘাতে মণিপুরে নিহত হয়েছে আড়াই শতাধিক মানুষ এবং বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। এখনও রাজ্যের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।
সংঘাত শুরুর সময় মণিপুরের রাজ্য সরকারে বিজেপি ক্ষমতাসীন ছিল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। তারপর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় মণিপুরে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au