ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা
মেলবোর্ন, ১০ জুন- বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর, অপহরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আঞ্চলিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে…
মেলবোর্ন, ২৬ মে— ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজার ৭৭ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি সেনারা দখলে নিয়েছে। রবিবার এমন তথ্য জানিয়েছে মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়। এক বিবৃতিতে তারা গাজায় চলমান গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, রবিবার ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক হাসান মাজদি আবু ওয়ারদা এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য।
আলাদা একটি বিবৃতিতে হামাসের সশস্ত্র শাখা এবং ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠী বলেছে, তারা গাজাজুড়ে কয়েকটি জায়গায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে বোমা ও ট্যাংক-বিধ্বংসী রকেট হামলা এবং চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শুক্রবার বলেন, “গাজার মানুষ সম্ভবত এই যুদ্ধের সবচেয়ে নিষ্ঠুর পর্যায় পার করছে।” তিনি মার্চ মাস থেকে আরোপিত ইসরায়েলি অবরোধের নিন্দা জানান।
সম্প্রতি ইসরায়েল কিছুটা অবরোধ শিথিল করলেও জাতিসংঘ বলছে, প্রতিদিন গাজায় ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশ করা দরকার। অথচ শুক্রবার মাত্র ৮৩টি ট্রাক প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে ছিল আটা, খাবার, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী।
সংকট এতটাই গভীর যে খাদ্য নিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে অনেকেই। এরপরেও ত্রাণবাহী কনভয়গুলোর সামনে ভিড় করছে হাজার হাজার মানুষ।
জাতিসংঘের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জানানো হয়েছে।
ইসরায়েল বলছে, অবরোধের উদ্দেশ্য হলো গাজায় বন্দি থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি আদায়ে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। তাদের অভিযোগ, হামাস ত্রাণ সামগ্রী চুরি করছে – যদিও হামাস তা অস্বীকার করেছে।
গাজার গণমাধ্যম অফিস বলছে, ইসরায়েলের হামলায় প্রকৃত নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়িয়েছে। কারণ ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একদমই নেই।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au