ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ লনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এপি
মেলবোর্ন, ২৫ জুন— যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন দেশটির একজন কংগ্রেস সদস্য। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে প্রায় দুই সপ্তাহের সংঘাতের পর দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকার জন্য ট্রাম্পকে এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর ফক্স নিউজ।
নরওয়ের নোবেল কমিটিকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য আর্ল বাডি কার্টার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এ মনোনয়ন দেন। তিনি বলেন, পশ্চিম জেরুজালেম ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকাটি ‘অসাধারণ ও ঐতিহাসিক।’
কার্টার তার চিঠিতে আরো লেখেন, এই সংকটকালীন সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্ব শান্তি অন্বেষণ, যুদ্ধ প্রতিরোধ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির সেই আদর্শগুলোরই প্রতিফলন ঘটায়। যেগুলো নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে স্বীকৃত হয়। দীর্ঘদিনের বিদ্বেষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতাপূর্ণ অঞ্চলটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প । বিশ্বকে আশার এক বিরল ঝলক উপহার দিয়েছেন। এই কারণেই আমি শ্রদ্ধাভরে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিচ্ছি।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানে পারমাণবিক স্থাপনায় নজিরবিহীন বিমান হামলা চালায়। ট্রাম্পের দাবি, এ স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
তবে তেহরান বলেছে, তাদের কোনো স্থাপনাই ধ্বংস হয়নি ও তাদের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না।
এছাড়া ট্রাম্পকে ২০২৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। ভারত-পাকিস্তান সাম্প্রতিক সংকটে ‘কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেওয়ার’ স্বীকৃতি হিসেবে ট্রাম্পের জন্য এ আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।