লালপেড়ে সাদা শাড়ি, সিঁথিতে সিঁদুর, পুজোর সাজে বাঙালিয়ানায় মুগ্ধতা ছড়ালেন নুসরাত
পুজোর সাজে সাবেকি বাঙালিয়ানার আবেদন বরাবরই আলাদা। লালপেড়ে সাদা শাড়ি, সোনার গয়না, কপালে লাল টিপ আর সিঁথিতে সিঁদুর, এই চেনা সাজেই যেন ধরা পড়ে বাঙালির…
মেলবোর্ন, ১১ সেপ্টেম্বর- জায়গাটা বেশ নিরিবিলি। ক’জন পথচারী তাড়াহুড়ো করে ফিরছেন ঘরে। জিমের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন তরুণ-তরুণী হঠাৎ স্থির হয়ে গেলেন। চোখ যেন বিশ্বাস করতে চাইছে না-এটা কি সত্যি? ওখানে দাঁড়িয়ে আছেন দ্য রক! প্রথমে একটু দ্বিধা, তারপর সাহস সঞ্চয় করে এগিয়ে গেলেন তারা। আর সামনে পৌঁছেই বিস্ময় ছড়িয়ে পড়ল চোখেমুখে-এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুবর্ণজয়ন্তী আসর যখন সিনেমার উন্মাদনায় মাতোয়ারা, ঠিক তখনই শহরের এক কোণে ঘটল এই ভিন্ন চমক। একেবারেই হুট করে ঢুঁ মারলেন জনসন ডাউনটাউনের এই জিমে। প্রতিদিনের মতো অনুশীলনে মগ্ন, আর পাশে হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকাদের একজন!
এবারের ৫০তম টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল–এ জনসন এসেছেন তার নতুন ছবি ‘দ্য স্ম্যাশিং মেশিন’ নিয়ে। বেনি সাফডি পরিচালিত সিনেমাটিতে ডোয়াইন অভিনয় করেছেন সাবেক এমএমএ ফাইটার মার্ক কারের চরিত্রে। একই দিনে তিনি অংশ নেন ‘ইন কনভারসেশন উইথ’ সেশনে, যেখানে রেসলার থেকে হলিউড সুপারস্টার হয়ে ওঠার নিজের গল্প শোনান দর্শকদের।
দ্য রক মানেই তো শুধু লালগালিচার তারকা নন, তিনি এক ফিটনেস–আইকন। তাই ব্যস্ততার মাঝেও বাদ দেননি নিয়মিত অনুশীলন। সন্ধ্যায় হাজির হলেন ফিট স্কোয়াড জিমে। তাকে ঘিরে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল উচ্ছ্বাসের ঢেউ।
জিমের সহ–মালিক আলদো ফ্রিক্সিওনে পরে বললেন, ‘আমরা সবাই ডব্লিউডব্লিউই আর তার সিনেমা দেখে বড় হয়েছি। দ্য রক কেবল একজন সেলিব্রিটি নন, তিনি প্রজন্মের প্রেরণা। অবাক করা বিষয় হলো, এত বড় তারকা হয়েও তিনি ছিলেন ভীষণ বিনয়ী। একটুও বাড়তি মনোযোগ চাননি।’
সারাটা সেশন জুড়েই জনসন ছিলেন মনোযোগী, স্বাভাবিক। শেষে যেন এক বন্ধুর মতোই ডেকে নিলেন সবাইকে। কর্মী আর সদস্যদের সঙ্গে ছবি তুললেন, কিছুটা আড্ডা দিলেন, হাসলেন কয়েকবার। তারপর চুপচাপ, নিঃশব্দে বেরিয়ে গেলেন নিজের মতো করে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au