পশ্চিমবঙ্গে ভোটগণনায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা,ফলাফল ৪ মে
মেলবোর্ন, ১ মে- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর এখন পুরো রাজ্যের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে ভোটগণনার দিকে। আগামী ৪ মে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র…
মেলবোর্ন ২১ অক্টোবর- গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলা ও ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। সোমবার ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এই অবস্থান জানানো হয়।
ইইউ পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেন,
“ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দরজা আমরা বন্ধ করছি না। বরং সব বিকল্পই টেবিলে রয়েছে, যদি গাজায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি আরও লঙ্ঘিত হয়।”
ইইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার মানবিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন, এবং ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে বেশ কয়েকটি দেশ বিশেষ করে স্পেন, আয়ারল্যান্ড, বেলজিয়াম ও স্লোভেনিয়া ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানায়।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেন,
“গাজার বেসামরিক মানুষদের ওপর অব্যাহত হামলা ও মানবিক অবরোধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে। ইসরায়েল যদি আন্তর্জাতিক আইন মানতে ব্যর্থ হয়, তবে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।”
তবে সব সদস্যদেশ একই অবস্থানে নেই। জার্মানি, হাঙ্গেরি ও চেক প্রজাতন্ত্র ইসরায়েলের প্রতি তুলনামূলক নরম অবস্থান নিয়েছে। তারা বলছে, এখনই নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং “কূটনৈতিক চাপ ও সংলাপের মাধ্যমে” সমাধান খোঁজা উচিত।
ইইউর অভ্যন্তরীণ এই বিভাজন সত্ত্বেও বোরেল জানিয়েছেন, “গাজার পরিস্থিতি যেভাবে অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে ইইউর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনিবার্য হতে পারে।”
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বারবার গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বিমান হামলা ও অবরোধকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী বলে উল্লেখ করেছে। ইইউর কয়েকজন মন্ত্রীও বলেছেন, এ ধরনের হামলা “যুদ্ধাপরাধের শামিল” হতে পারে।
ইইউ যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে তা হবে প্রথমবারের মতো যা ইসরায়েল-ইউরোপ সম্পর্কের বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বর্তমানে ইউরোপ ইসরায়েলের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার; বছরে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ইউরোর বেশি বাণিজ্য হয় দুই পক্ষের মধ্যে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইইউ এখনো কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে, একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল, অন্যদিকে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে থাকা ফিলিস্তিন।
তবে গাজায় যদি সহিংসতা চলতেই থাকে, তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন “কথা নয়, পদক্ষেপে” যেতে বাধ্য হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au