ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ২৩ অক্টোবর- রাশিয়ার দুটি শীর্ষ তেল কোম্পানি-রসনেফট (Rosneft) ও লুকঅয়েল (Lukoil)-এর ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (US Department of the Treasury) এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোই ওয়াশিংটনের মূল উদ্দেশ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন ট্রেজারির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই কোম্পানি রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রের অর্থনৈতিক জোগানদাতা হিসেবে কাজ করছে। তাদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে বিপুল রাজস্ব আয় করছে মস্কো, যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যয় করা হচ্ছে। ফলে এই কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে রাশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবাহে সরাসরি আঘাত হানার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিষেধাজ্ঞার ফলে রসনেফট ও লুকঅয়েলসহ তাদের সহযোগী ও মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের যেকোনো লেনদেন এখন থেকে অবৈধ বলে গণ্য হবে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, ব্যাংকিং সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তাদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, “রাশিয়া এখনও আগ্রাসী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, এই যুদ্ধ চালানোর অর্থনৈতিক জ্বালানি বন্ধ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা সেই দিকেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার এই দুই তেল কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ঘোষণার পরপরই চার শতাংশের বেশি বেড়ে ৮০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। ইউরোপীয় বাজারে গ্যাসের দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময় নেওয়া হলো, যখন ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার বিমান হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা বাড়ছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টির পথ খুঁজছে। যুক্তরাজ্যও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে রাশিয়ার জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে আলাদা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
ওয়াশিংটনের মতে, রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধে এটি আরেকটি “অর্থনৈতিক বার্তা”-যে আক্রমণ অব্যাহত থাকলে মস্কো আরও কঠোর আর্থিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়বে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au