ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ৩১ অক্টোবর- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, দলগুলো যদি এভাবে পরস্পরবিরোধী অবস্থান নেয়, তাহলে সরকারের জন্য করণীয় নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “আপনারা যদি এ রকম ভূমিকা নেন, সরকার কী করবে, আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। এত দিন আলোচনার পর যদি ঐকমত্য না আসে, তো আমরা আসলে কীভাবে কী করব, সত্যি আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে।”
তিনি জানান, জুলাই সনদ নিয়ে ২৭০ দিনেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পরও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য রয়ে গেছে, যা সরকারের জন্য হতাশার। “এই তীব্র বিরোধের মধ্যে কীভাবে সমঝোতার দলিল পাস হয়, এটা দুরূহ একটা চ্যালেঞ্জ সরকারের সামনে এনে দিয়েছে,” বলেন আসিফ নজরুল।
তার ভাষায়, “এর আগে জুলাই সনদের বিষয়বস্তু নিয়ে বিরোধ ছিল। এখন আরও দুই ধরনের বিরোধ তৈরি হয়েছে—একটি হলো কীভাবে এটি পাস করা হবে, অন্যটি হলো গণভোট হলে, গণভোট কবে হবে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা দলগুলো এখন পরস্পরবিরোধী ও উত্তেজিত অবস্থানে।”
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এ বিষয়ে দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। প্রথমটি হলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের পর গণভোট আয়োজন করা, এবং যদি ২৭০ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন না হয়, তাহলে সংবিধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধিত হবে। দ্বিতীয়টি হলো, এই দায়িত্ব নির্বাচিত সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া।
তিনি বলেন, “এই দুই বিকল্পের মধ্যে কোনটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। গণভোট কবে হবে, এটা নিয়েই বিরোধ তীব্রতম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এখন একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা তাঁকে সহায়তা করব। সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত নেওয়া হবে এবং আমরা তাতে দৃঢ় থাকব।”

জুলাই সনদে সাক্ষর অনুষ্ঠান। ছবিঃ সংগৃহীত
অন্য এক প্রশ্নে আইন উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার একধরনের ঐকমত্যের সরকার, যেখানে প্রধান তিনটি রাজনৈতিক শক্তি ও জুলাই গণ–অভ্যুত্থনের পক্ষে থাকা পক্ষগুলোর সম্মতিতে সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিভাজন গভীর হলে এই ঐকমত্য টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকত, সরকারের কাজ অনেক সহজ হতো। বড় দুটি দল প্রায় ৪০–৫০ বছর রাজনীতি করার পরও এখনো কিছু ক্ষেত্রে ঐক্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।”
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au