ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ৩ নভেম্বর- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দেশে মানববিহীন উড়োজাহাজ (ইউএভি) বা ড্রোন তৈরির একটি কারখানা স্থাপন করছে। প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির আওতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কারখানার নির্মাণকাজ শেষ হবে। এটি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পখাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া চীন বাংলাদেশে একটি বিমান ওভারহলিং (রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্নির্মাণ) কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভার কার্যবিবরণী থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। সমন্বয় সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সভার নথির একটি কপি পর্যালোচনা করেছে।
সভায় মূলত একটি বিশেষ ডিফেন্স ইকোনমিক জোন গঠনের উদ্যোগ এবং দেশীয়, বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সরঞ্জাম স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তা সভায় জানান, দুই বছর আগে বিমান বাহিনীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ অ্যারোনটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ইতিমধ্যে চারটি বিমান নকশা ও উড্ডয়ন পরীক্ষায় সফল হয়েছে। এই কেন্দ্রের লক্ষ্য ছিল প্রশিক্ষণ বিমানের জন্য দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন করা, এরপর ক্রীড়া বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিমান তৈরির দিকে অগ্রসর হওয়া।
বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা বৈশ্বিক পর্যায়ে এভিয়েশন সরঞ্জামের উচ্চ চাহিদার কথা তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা গেলে দেশের বিমান শিল্প দ্রুত বিকশিত হতে পারে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।
বিমান রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা স্থাপন প্রস্তাব
চীনের প্রস্তাবিত বিমান ওভারহলিং কেন্দ্র প্রসঙ্গে এক কর্মকর্তা সভায় বলেন, বিমান বাহিনীর বিদ্যমান অবকাঠামো ও জনবল ব্যবহার করে কিছু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে ব্যবহৃত বিমানের ইঞ্জিন মেরামত বা পুনর্গঠন সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, “আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একই ধরনের বিমান ও ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়। তাই এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে।”
সুত্রঃ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au