ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…
মেলবোর্ন, ২০ ফেব্রুয়ারি- অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে শিশুদের ওপর ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে ২৪ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত মাইকেল ব্রায়ান বেকটন (৩৩) ৭৭টি শিশু যৌন অপরাধে দোষ স্বীকার করেছেন। বিচারক তার অপরাধকে ‘জঘন্য’, ‘বিকৃত’ এবং ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে ওঠা আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন।
২০২৪ সালে বেকটনের বিরুদ্ধে মোট ৮০টি শিশু শোষণসংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়। পরে তিনি ৭৭টি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। এসবের মধ্যে একটি শিশুপুত্রকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ৭৬টি অভিযোগ পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের আওতায় এবং একটি কমনওয়েলথভুক্ত অপরাধ, যা বিদেশে সংঘটিত হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার বছর ধরে ছয়জন শিশু ও নবজাতকের ওপর নির্যাতন চালান বেকটন। নির্যাতনের পাশাপাশি তিনি ভুক্তভোগীদের ছবি তোলেন এবং কিছু ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। তদন্তে জানা যায়, এসবের কিছু অংশ তিনি অনলাইনে পেডোফিলিক গোষ্ঠীতে ছড়িয়ে দেন।
আদালত বলেন, ২০২০ সালে ২৮ বছর বয়সে তিনি প্রথম একটি দুই বছর বয়সী শিশুকন্যার ওপর যৌন নির্যাতন চালান এবং তা নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। ওই শিশুর ওপর নির্যাতন ২০২১ সাল পর্যন্ত চলে। এরপর ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আরও পাঁচজন শিশুকে নির্যাতন করেন। কয়েকজনকে তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
সবচেয়ে কম বয়সী ভুক্তভোগীর বয়স ছিল মাত্র দুই মাস। ওই শিশুর ওপর ৪৫টি অপরাধ সংঘটনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসবের কিছু ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিদেশ সফরের সময়ও তিনি একটি শিশুকন্যাকে নির্যাতন করেন।
২০২৪ সালে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে এক লাখের বেশি শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করে।
সাজার সময় আদালতে তার শৈশবের অস্থিতিশীল পরিবেশের কথা উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, ছোটবেলায় তিনি অনুপযুক্ত পারিবারিক পরিস্থিতিতে বড় হয়েছেন এবং অল্প বয়সেই স্পষ্ট যৌনবিষয়ক উপকরণের সংস্পর্শে আসেন। তবে বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এসব কোনোভাবেই তার অপরাধকে ন্যায্যতা দিতে পারে না।
আদালত আরও শুনেছে, বেকটন অনুতপ্ত দাবি করলেও তার পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়ানোর ঝুঁকি উচ্চমাত্রার বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
আদালত তাকে ২৪ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি যে সময় হেফাজতে আছেন, তা সাজা হিসেবে গণনা করা হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au